অপেক্ষিত 🍂
আমার একটা আধ পোড়া, এদিক সেদিক চারিদিক ভাঙা, শেওলা জমা বাড়ী আছে। বার বার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে ওই মফস্বলের বাড়িতে। চারিদিক ভরতি শূন্যতা, তবুও প্রতিটা জানলা যেন এক একটা গল্প বলে যায়... ছোটবেলার চু-কিট-কিট খেলার, রান্নাঘর থেকে নারকেল নাড়ু চুরি করেই মুখে পুরে ফেলার, ভোর সকালে এক দল শালিক পাখির, আরও কতো কতো জমে থাকা গল্প পরে আছে সেখানে...
নিরুদ্দেশ এই সফর থামবে কোথায়? কেউ কি জানে? রাতদিনের এই ইদুর দৌঁড়ই বা শেষ কোথায়? আজ যখন নিকোটিনের ছেকায়ে পুড়ছে ঠোঁট, বুক জ্বালিয়েও যখন নেই কোনো ক্ষোভ, দূর দেশের তাঁরা রাও যেনো বলে ওঠে 'এই অবসহনের শেষ সত্যি কোথায়?' পুরে পুরে ছাই হয়ে যাওয়া সেই বেনারসের ঘাটে? নাকি কোনো এক বিরাট গাছের ছায়ার নিচের কবরে?
ঝড়ের হাওয়ায় যখন ঘড় বাড়ী তছনছ; কেউ যেনো ভীষণ আলতো হাতে আবারও ঘরটা সুন্দর করে সাজিয়ে রাখছে। ঘুম না আসা রাতে; কোনো এক স্নেহ ভরা হাতে কেউ আদর করে দিচ্ছে। ভীষণ চেনা তার গন্ধ! যেনো বহু বছরের আলাপ... ঠিক মুখটা হাত বুলিয়ে দেখবো, তখনই কেন বার বার এই স্বপ্নের ইতি!! আমি আবারও দেখতে চাই তোমাকে, ছুঁতে চাই আবারও, ভালোবাসতে চাই আরও অনেক! পড়ের বার ফিরে এলে একটু সময় বেশি নিয়ে এসো...
ইতি,
তোমার অপেক্ষিত ভালোবাসা।

Comments
Post a Comment